প্রথম লেখার গল্প

প্রথম লেখার স্মৃতিটা বেশ পেছনের। তবে এতটা বয়স এখনও পার হইনি যে সেটাকে এক মহা ধূসর স্তরের কোন ঘটনা বলে মনে হবে। এখন থেকে হিসেব করলে সাঁইত্রিশ বছর আগের ঘটনা।

বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০১১

নানা রঙের কাব্যগ্রন্থ 'বুনো বাতাসের ঘ্রাণ'

মানুষের জীবনে বোধ সঞ্চারের এক নির্ভেজাল উপাদানের নাম কবিতা। কবিতা কখনো মানুষের মনকে রাঙিয়ে দেয়, কখনো বদনার কালো রঙ ঢেলে উপলব্ধিগুলোকে সতেজ করে তোলে; জীবন দর্শনের পথকে করে প্রশস্ত। আর এ দর্শন ও বোধকে কর্ষণ করেন যে চাষি, তিনি কবি। মানব জীবনের প্রতি নিবিড় অবলোকন করেন তিনি। তারপর শব্দ-বাক্যের ছন্দে ডালি সাজিয়ে পরিবেশন করেন আর দশটি দৃষ্টি ও চিন্তার দরবারে। এভাবেই হয়ে ওঠে কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। আবার কবি শক্তিমান। সহজাত প্রতিভা বলে জড় পদার্থে প্রাণ সৃষ্টি করেন কবি। কল্পনার প্রাবল্য কখনো বা শক্ত পাথর চিপে বের করে আনে তরল নির্যাস। একমাত্র কবিই পারেন সময়কে উল্টে-পাল্টে পেছনকে সামনে আর সামনেটাকে পেছনে নিয়ে যেতে। কবিই পারেন বাতাসকে চাদর বানিয়ে গায়ে জড়িয়ে...

গেরিলা যুদ্ধে নারীর অবদান নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে : সেলিনা হোসেন

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের কথাসাহিত্য যাদের হাতে পরিপুষ্ট হয়েছে সেলিনা হোসেন তাঁদের অন্যতম। ইতিহাসকে সমকালীন ব্যঞ্জনায় ব্যবহার করে কথাসাহিত্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন তিনি। গত ১৪ জুন তার জন্মদিনে এ কথাশিল্পীর সঙ্গে কথা বলেছেন পরবর্তী প্রজন্মের কবি-কথাশিল্পী মুজতবা আহমেদ মুরশেদ মুজতবা আহমেদ মুরশেদ : সেলিনা আপা, জীবনের এতগুলো বছর পার করে ৬৪তম জন্মদিনের ক্ষণে প্রথমেই আপনার অনুভূতি জানতে চাই। সেলিনা হোসেন : এককথায় বলি, কোনো অনুভূতিই নেই। কারণ জন্মদিন নিয়ে ভাবার অবকাশই নেই এবং সেভাবে কখনও আমার জন্মদিন পালিতও হয়নি। মুরশেদ : উৎসবে রঙিন কোনো জন্মদিন পালনের ইচ্ছা কি জাগে না কখনও? সেলিনা : রঙিন কোনো জন্মদিন পালনের ইচ্ছা জাগেনি কখনও আমার। কেউ তেমনভাবে পালনও...

প্রথম লেখার গল্প

প্রথম লেখার স্মৃতিটা বেশ পেছনের। তবে এতটা বয়স এখনও পার হইনি যে সেটাকে এক মহা ধূসর স্তরের কোন ঘটনা বলে মনে হবে। এখন থেকে হিসেব করলে সাঁইত্রিশ বছর আগের ঘটনা। ১৯৭৪ সাল। আমি জটিল এক রোগে আক্রান্ত হয়ে আবার অষ্টম শ্রেণীতেই। বিছানায় কাটলো ছ’মাস। তারপর সুস্থ হয়ে হাঁটাচলা। রোদে ঘোরাঘুরি বারণ। এইসবের মাঝেই বিছানায় শুয়ে আমার সাহিত্যগুরু বুবু’র (মরহুম সালমা ইয়াসমীন) জোগাড়ে থাকা উপন্যাস আর কাব্য পড়ি। তার সঙ্গে ওর লেখা কবিতা। ওর কবিতাগুলো আমার খুব ভাল লাগতো। অন্য একটা গন্ধ পেতাম। ওর প্রতি আমার অগাধ টান এবং ওর কবিতার প্রতি আমার আকর্ষণের ভেতরেই নিজের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা লেখার বীজটার নড়াচড়া অনুভব করলাম। বুবু’র লেখা কবিতা পড়ি আর কেবলি মনে হয়, আমিও যদি বুবু’র মতো...

ইউটিউবে

...

Page 1 of 11

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites